Swami Vivekananda Yojona 2022 | স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর যোজনা

Swami Vivekananda Yojona হলো আপনি ব্যাবসা করার কথা ভাবছেন কিন্তু আপনার কাছে বর্তমানে সেরকম প্রয়োজনের টাকা হাতে নেই,কিন্তু সেরকম কোথাও লোনও নিতে পারছেন না!তাহলে আপনাকে আজকে একটি রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যেখান থেকে লোন নিয়ে, আপনি নতুন করে কিংবা পুনরায় বন্ধ ব্যাবসাকে চালু রাখতে পারবেন। রাজ্য সরকার এখানে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন দিচ্ছে বেকার যুবক/যুবতীদের ব্যবসা করার জন্য।

Swami Vivekananda Yojona প্রকল্প থেকে লোন নেওয়ার জন্য যে কার্ডটি লাগবে সেটি হলো কর্মবিনিয়োগ কেন্দ্রের কার্ড।এখন এই কার্ড যদি না থাকে তাহলে নিজ নিজ জায়গা থেকে বেকারী সংক্রান্ত শংসাপত্র নিতে হবে এই প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য।কিছু কোথায় পাবেন এই বেকারী সংক্রান্ত শংসাপত্র- ১) ব্লক এলাকার জন্য – গেজেটেড অফিসার / গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান
২) পৌর এলাকার জন্য – গেজেটেড অফিসার / পৌরসভার কাউন্সিলার
৩) পৌর নিগমের ক্ষেত্রে – গেজেটেড অফিসার / পৌরনিগমের কাউন্সিলারের কাছে পাবেন।
Swami Vivekananda Yojona কর্মসংস্থান প্রকল্প থেকে তারাই লোন নিতে পারবেন না,যারা ইতিপূর্বে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অন্য কোনো স্বনিযুক্তি প্রকল্পে ঋণ নিয়েছেন কিন্তু এখনো শোধ হয়নি তাহলে,তখন আপনাকে সেই লোন শোধ করে এই লোনের জন্য আবেদন করতে হবে তাহলে এর লাভ নিতে পারবেন। আরও বিশদভাবে জানতে নিজ নিজ এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

আরোও পড়ুন:- বাড়িতে বসে দু মিনিটে লোন নিন

Swami Vivekananda Yojona কারা কারা আবেদন করতে পারবেন?

যেই পারিবারিক মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে নয় এবং শিল্প, বাণিজ্য ও পরিেষবা সংক্রান্ত ইউনিট নতুন করে তৈরি করতে উদ্যোগীরা আবেদন করতে পারবেন।

আত্মমর্যাদা প্রকল্পে এক থেকে চার জন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ে এবং আত্মসন্মান প্রকল্পে পাঁচ জন বা তার বেশী যৌথভাবে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ে কৃষি বাদে যে কোনো শিল্প বা ব্যবসায় অংশ নেওয়া যাবে।

৫ শতাংশ অর্থ নিজেদের বিনিয়োগ করতে হবে। ৩০ শতাংশ অর্থ রাজ্য সরকার দেবে সরকারি অনুদান হিসাবে। সর্বোচ্চ অনুদান আত্মমর্যাদায় – ১.৫ লক্ষ টাকা, আত্মসন্মানে – ৩.৫ লক্ষ টাকা।বাকি ৬৫ শতাংশ অথবা অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক/আর্থিক সংস্থা থেকে বর্তমান সুদের হারে ঋন হিসাবে দেওয়া হবে।যদি উদ্যোগীদের কর্মবিনিয়োগ কেন্দ্রের কার্ড না থাকে তাহলে তারা এই প্রকল্পের সুযোগ নেবার জন্য বেকারী সংক্রান্ত শংসাপত্র নিতে হবে –
১) ব্লক এলাকার জন্য – গেজেটেড অফিসার / গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান
২) পৌর এলাকার জন্য – গেজেটেড অফিসার / পৌরসভার কাউন্সিলার
৩) পৌর নিগমের ক্ষেত্রে – গেজেটেড অফিসার /

Swami Vivekananda Yojona কে বা কারা এই লোন দিতে পারবে?


পশ্চিমবঙ্গ স্বরোজগার নিগম লিমিটেড এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর, ইস্ট ইন্ডিয়া হাউস (প্রথম তল), ২০বি আব্দুল হামিদ স্ট্রিট, কলকাতা-৬৯,

জেলা বা মহকুমা: যে কোনও যোগ্যতাসম্পন্ন উদ্যোগী ব্লক/পৌরসভা/বরো স্তরের স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর থেকে ফর্ম সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রকল্প সহায়কের কাছে প্রকল্প প্রতিবেদন-সহ জমা দেবেন। প্রকল্প সহায়করা এ কাজে সাহায্য করবেন।

Swami Vivekananda Yojona প্রকল্পের উদ্দেশ্য কি?


রাজ্য জুড়ে সফল উদ্যোগী গড়ে তোলা। শহর ও গ্রাম—দু জায়গাতেই বেকার যুবক-যুবতীদের স্ব-নিযুক্তির উদ্দেশ্যে এটি একটি পথিকৃৎ প্রকল্প। প্রকল্পটি রূপায়িত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ স্বরোজগার নিগম লিমিটেড (WBSCL)-এর মাধ্যমে। যেই সমস্ত মানুষেরা নিজের উদ্যোগে কোনও ব্যবসা বা কর্মসংস্থানের কাজ করবেন এবং একই অঞ্চলের ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে দল তৈরি করে কোনও আর্থিক উদ্যোগ শুরু করবেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের সরকারি ভরতুকি দেওয়া হবে। ছোটো ছোটো উৎপাদন ক্ষেত্র, নির্মাণশিল্প, ব্যবসা, পরিষেবা, কৃষি-ভিত্তিক শিল্প, ফুলচাষ, উদ্যানপালন, প্রাণীপালন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রকল্প ব্যয়ের ৩০ শতাংশ ভরতুকি বাবদ পাওয়া যাবে অর্থাৎ ব্যক্তিগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং দলগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। কমপক্ষে ৫ জনের দল হতে হবে। একটি পরিবারের শুধু একজন সদস্যই দলে থাকবেন।
ব্যক্তিগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে এর নাম ‘আত্মমর্যাদা’ এবং প্রকল্প ব্যয় ১০ লক্ষ টাকা। দলগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে এর নাম ‘আত্মসম্মান’ এবং প্রকল্প ব্যয় ২৫ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫ শতাংশ ব্যয় বহন করবেন। কেবলমাত্র মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে এই সরকারি ঋণ দেওয়া হবে।
Swami Vivekananda Yojona -এই নামে এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। তাদের ভরতুকি দেওয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু রাজ্যের প্রান্তিক অঞ্চলের যুবক-যুবতীদের স্বনিযুক্তির ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে, তাই আঞ্চলিক ক্ষেত্রে কাঁচামাল প্রাপ্তির ভিত্তিতে নানা ধরনের উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থানের কথা ভাবা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে যেসব কঁাচামাল পাওয়া সহজ, সেগুলিকে ভিত্তি করে নানা ধরনের প্রয়োজনীয় এবং নতুন জিনিস তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
এমন অনেক কাঁচামাল বাংলার গ্রামাঞ্চলে সুলভ, যেগুলির ব্যবহার অজানা থাকায় কাজে লাগানো যায়নি এতদিন। বর্তমানে যথাযথভাবে সেগুলির ব্যবহারের মাধ্যমে সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি হচ্ছে, রাজ্যের বাইরেও সেগুলির চাহিদা থাকছে। ফলে আয় হচ্ছে সহজে। তাছাড়া বাংলার চিরাচরিত শিল্পকর্ম তো আছেই।

Swami Vivekananda Yojona লোন আবেদন করতে হলে কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?

Swami Vivekananda Yojona লোনের আবেদন করতে হলে যেসমস্ত ডকুমেন্টস লাগবেঃ-
ক) পূরণ করা আবেদনপত্র ১ কপি প্রকল্পসহ ওখানেই জমা দিতে হবে। সঙ্গে বয়স, বাসস্থান, পারিবারিক আয় সম্পর্কিত প্রমাণপত্র এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের কার্ড অথবা উপরে উল্লিখিত শংসাপত্র যুক্ত করতে হবে। খ) পারিবারিক মাসিক আয় ও বাসস্থান সম্পর্কিত শংসাপত্র বিধায়ক / পৌরপ্রধান / পৌরপ্রতিনিধি / পঞ্চায়েত প্রধান / পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের সদস্য / গেজেটেড অফিসারের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।গ) যে কোনো শিল্প বা ব্যবসার ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট পৌরসভা / গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।ঘ) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিভাগ এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রন পর্ষদ থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।
আরও বিশদভাবে জানতে নিজ নিজ এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Swami Vivekananda Yojona কয়েকটি তথ্য:-

১.ইতিপূর্বে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অন্য কোনো স্বনিযুক্তি প্রকল্পে ঋণ পেয়ে থাকলে সেই ঋণ পরিশোধ করার পর এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে।

২.রাজ্যের প্রতিটি ব্লক, পৌরসভা এবং কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১৫টি বোরো অফিসের সাথে উল্লিখিত অফিসগুলি রয়েছে।

৩. যারা অল্প মূলধন নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যবসা শুরু করেছেন তারা এই প্রকল্প চলাকালীন কিংবা তার পরেও প্রকল্পের সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত ঋণ এবং অনুদান পেতে পারেন।

৪. সচিত্র পরিচয়পত্র দেখিয়ে ব্লক / পৌর / বোরো স্বনিযুক্তি আধিকারিক – র অফিস থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

৫. পূরণ করা আবেদনপত্র ১ কপি প্রকল্পসহ ওখানেই জমা দিতে হবে। সঙ্গে বয়স, বাসস্থান, পারিবারিক আয় সম্পর্কিত প্রমাণপত্র এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের কার্ড অথবা উপরে উল্লিখিত শংসাপত্র যুক্ত করতে হবে।

৬. পারিবারিক মাসিক আয় ও বাসস্থান সম্পর্কিত শংসাপত্র বিধায়ক / পৌরপ্রধান / পৌরপ্রতিনিধি / পঞ্চায়েত প্রধান / পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের সদস্য / গেজেটেড অফিসারের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

৭. যে কোনো শিল্প বা ব্যবসার ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট পৌরসভা / গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

৮. পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিভাগ এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রন পর্ষদ থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

৯. ঋণ মঞ্জুরের পর নিজেদের দেয় উল্লিখিত ৫ শতাংশ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে পৃথক অ্যাকাউন্ট খুলে জমা দিতে হবে।

১০. নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কিস্তিভিত্তিক ব্যাঙ্কঋণ (সুদ সহ) পরিশোধ করতে হবে। ঋণ পরিশোধ না করলে ‘পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী অ্যাক্ট’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১.আরও বিশদভাবে জানতে নিজ নিজ এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

আশা করছি আমাদের দেওয়া Swami Vivekananda Yojona তথ্য আপনাদের যথেষ্ট সাহায্য করবে।

Leave a Comment